Posts

এইমাত্র পাওয়া খবর মা'রা গেলেন জনপ্রিয় সংসদ সদস্য

Image
 কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন ভুল করলে জনগণ ক্ষমা করবে না : মির্জা ফখরুল ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন একাধারে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৩৬ সালের ১৪ নভেম্বর ভোলার সদর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন রামিসা হত্যাকাণ্ড জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে : হেফাজত শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে বরিশাল ও ঢাকার বিভিন্ন রণাঙ্গনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।...
 রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি যুবলীগ কর্মী সোহেল রানাকে ঘিরে সামনে এসেছে অতীত জীবনের নানা অপকর্মের তথ্য। রানার জন্ম ও বেড়ে ওঠা নাটোরের সিংড়া উপজেলার কলম ইউনিয়নের মহেষচন্দ্রপুর গ্রামে। চার বছর আগে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করে সেই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে গ্রামে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন ছিল। শুক্রবার (২২ মে) সকালে মহেষচন্দ্রপুর গ্রামে গিয়ে কথা হয় সোহেল রানার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সঙ্গে। যুবলীগ কর্মী সোহেল রানার এমন অপকর্মের জন্য তার সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন তার বাবা-মা, বোনসহ পরিবারের সদস্যরাও। প্রতিবেশী স্থানীয় সাবেক পৌর কাউন্সিলর মহিদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলায় সবাই তাকে রানা নামে ডাকত। প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে তার আর লেখাপড়া হয়নি। তরুণ বয়সে স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ব্যাপক পরিচিতি পায়। তখন তিনি নিজেকে এসএম রানা বলে পরিচয় দিতেন এবং পরিচিতি বাড়াতে স্থানীয় বাজারে যুবলীগ কর্মী পরিচয়ে বিলবোর্ডও দেন। সেই সময় কলম ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আ...

তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর

ঢাকা, ২৩ মে – রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ডিএনএ রিপোর্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে সিআইডি। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের ফরেনসিক ইউনিট থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুন এই গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক রিপোর্টগুলো সংগ্রহ করেন। শনিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান জানান যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলো পাওয়ার মাধ্যমে মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। রিপোর্টগুলো হাতে আসায় বর্তমানে মামলার অভিযোগপত্র বা চার্জশিট প্রস্তুতের কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে।
  রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি যুবলীগ কর্মী সোহেল রানাকে ঘিরে সামনে এসেছে অতীত জীবনের নানা অপকর্মের তথ্য। রানার জন্ম ও বেড়ে ওঠা নাটোরের সিংড়া উপজেলার কলম ইউনিয়নের মহেষচন্দ্রপুর গ্রামে। চার বছর আগে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করে সেই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে গ্রামে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন ছিল। শুক্রবার (২২ মে) সকালে মহেষচন্দ্রপুর গ্রামে গিয়ে কথা হয় সোহেল রানার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সঙ্গে। যুবলীগ কর্মী সোহেল রানার এমন অপকর্মের জন্য তার সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন তার বাবা-মা, বোনসহ পরিবারের সদস্যরাও। প্রতিবেশী স্থানীয় সাবেক পৌর কাউন্সিলর মহিদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলায় সবাই তাকে রানা নামে ডাকত। প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে তার আর লেখাপড়া হয়নি। তরুণ বয়সে স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ব্যাপক পরিচিতি পায়। তখন তিনি নিজেকে এসএম রানা বলে পরিচয় দিতেন এবং পরিচিতি বাড়াতে স্থানীয় বাজারে যুবলীগ কর্মী পরিচয়ে বিলবোর্ডও দেন। সেই সময় কলম ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ...

জরুরী ঘোষণা! রাতে মহাবিপদ সংকেত দিয়ে দেশবাসীকে সাংবাদিক ইলিয়াসের জরুরি সতর্ক বার্তা

Image
   সময় থাকতে সাবধান হোন! আওয়ামিলীগ কিছু একটা ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে! এমন জরুরী বার্তা দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। যা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়  কথা শেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বের হওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে একজন সত্যিকারের নায়ক এবং জনদরদি মানুষ, তার প্রমাণ আবারও দিলেন। তিনি লক্ষ্য করলেন রামিসার মা কিছু একটা বলতে চাচ্ছেন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বসিয়ে দিয়ে রামিসার মায়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কি কিছু বলতে চান?" রামিসার মা যখন বললেন, "আপনি একটু আমাদের দিকে খেয়াল রাখিয়েন", তখন প্রধানমন্ত্রী জবাবে কী বলেছিলেন জানেন? তিনি সেটাই বলেছিলেন, যা শোনার জন্য এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, "আগে অপরাধীর বিচার করব, তারপর বাকি সব।" তাঁর এই একটি কথাতেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, অপরাধীর বিচার হবে এবং তা হবে অত্যন্ত কঠিন বিচার।

জরুরী ঘোষণা! রাতে মহাবিপদ সংকেত দিয়ে দেশবাসীকে সাংবাদিক ইলিয়াসের জরুরি সতর্ক বার্তা

Image
  সময় থাকতে সাবধান হোন! আওয়ামিলীগ কিছু একটা ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে! এমন জরুরী বার্তা দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। যা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়  কথা শেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বের হওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে একজন সত্যিকারের নায়ক এবং জনদরদি মানুষ, তার প্রমাণ আবারও দিলেন। তিনি লক্ষ্য করলেন রামিসার মা কিছু একটা বলতে চাচ্ছেন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বসিয়ে দিয়ে রামিসার মায়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কি কিছু বলতে চান?" রামিসার মা যখন বললেন, "আপনি একটু আমাদের দিকে খেয়াল রাখিয়েন", তখন প্রধানমন্ত্রী জবাবে কী বলেছিলেন জানেন? তিনি সেটাই বলেছিলেন, যা শোনার জন্য এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, "আগে অপরাধীর বিচার করব, তারপর বাকি সব।" তাঁর এই একটি কথাতেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, অপরাধীর বিচার হবে এবং তা হবে অত্যন্ত কঠিন বিচার।
Image
 সময় থাকতে সাবধান হোন! আওয়ামিলীগ কিছু একটা ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে!  কথা শেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বের হওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে একজন সত্যিকারের নায়ক এবং জনদরদি মানুষ, তার প্রমাণ আবারও দিলেন। তিনি লক্ষ্য করলেন রামিসার মা কিছু একটা বলতে চাচ্ছেন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বসিয়ে দিয়ে রামিসার মায়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কি কিছু বলতে চান?" রামিসার মা যখন বললেন, "আপনি একটু আমাদের দিকে খেয়াল রাখিয়েন", তখন প্রধানমন্ত্রী জবাবে কী বলেছিলেন জানেন? তিনি সেটাই বলেছিলেন, যা শোনার জন্য এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, "আগে অপরাধীর বিচার করব, তারপর বাকি সব।" তাঁর এই একটি কথাতেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, অপরাধীর বিচার হবে এবং তা হবে অত্যন্ত কঠিন বিচার।